Wednesday, June 26, 2019

জনগণের করের অর্থে বড় সাহেবদের বেতন হয় তাই জনগণের সাথে সুন্দর আচরন করতে শিখুন।

জনগণের করের অর্থে বড় সাহেবদের বেতন হয় তাই জনগণের সাথে সুন্দর আচরন করতে শিখুন।

আমাদের সংবিধান মতে প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তারা জনগণের সেবা দেবার শপথ নিয়ে চাকরিতে নিযুক্ত হন।তবে তা কি করে?

যদিও আমাদের দেশে চাকরি পেতে  ঘুষ দিয়ে হউক বা যোগ্যতার সুবাদে হউক।তবে বেশীভাগ সরকারী চাকরিজীবীরা অনিয়মের ভিতরে জড়িয়ে পড়ে।

বেশীভাগ সরকারী চাকরী করেন যারা তারা বসেন নামি-দামি গদির চেয়ারে।এমন কি নামী দামী চেয়ারে বসে ক্ষমতা অপব্যবহার থেকে শুরু করে যত অনিয়ম আছে প্রায় সরকারী চাকরিজীবিরা করে থাকে।

যেমন এই সমাজ রাষ্ট্রে আমরা সমাজবব্দ। এতে ছোট খাটো সমস্যা হবে হয় প্রতিবেশীদের সাথে রাষ্ট্রের যে কোন জনগণের সাথে।তবে এসব কে কেন্দ্র করে  অনেকে পৃর্ব জের ধরে  প্রশাসনের মাধ্যমে দমনের চেষ্ঠা করে।এমন কি নিজের স্বার্থের জন্য ক্ষমতা অপব্যবহার করে থাকে,এতে হুমকিতে থাকতে হয় চেয়ারে বসার লোকদের কাছে জনগন।এসব মনমানসিকতা পরিবর্তন আনা প্রয়োজন বাবুরা।।

আর যেখানে এই দেশের কর্মের দাতা সাধারণ জনগণ।তাদের সকল চাহিদা পৃরন করে থাকে।আর সেখানে জনগন বসেন সদ্য মাটিতে। অথবা তাদের কারো জায়গায় হয় না। এই দেশে এমন বৈষম্য আর কতদিন চলবে?

আমার মত রাষ্ট্রীয় এই সকল নীতিগুলো নিঃসন্দেহে লজ্জার এবং তা পরিবর্তিত হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।

এই দেশে একজন বঙ্গবন্ধু,নজরুল, হুমায়ন আহমেদ,  তাঁরা ওই নামি-দামি- গদিতে না বসে আপন শক্তিতে পৃথিবীর বুকে সৃজনশীলতার যে পরিচয় দিয়েছিলেন। বাংলাদেশকে পৃথিবীর বুকে যে উচ্চতায় তুলে ধরেছেন।আর একজন গাড়ি বাড়িতে আধুনিক জীবন যাপন করা বাবুরা তাঁদের জীবদ্দশায় দেশের জন্য কী এমন বড় অর্জন দেখাতে পারবেন?

আমার মনে হয় তা তাদের দেখানো খুব কঠিন! আমাদের দেশের একজন সাধারণ মানুষ ভালো ব্যবহার পেলে অন্য মানুষের জন্য প্রাণ দিতে পারে! যা পৃথিবীর অন্য দেশে বিরল।।যেমন স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রমান করেছে।

ঠিক আমাদের দেশে পুলিশ বাহিনী থেকে শুরু করে সকল সেক্টরের সাহেবরা কাজের মাধ্যমে সেই অবস্থায় পৌঁছতে হবে। মানুষকে ভালোবেসে বুকে আগলে নিতে হবে। আর পুলিশ মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়ে মাল রক্ষা করবার দরকার নেই। সেই আধিকারও তাদের দেয়া হয় নি।

তাদেরকে জনগণের জান ও মাল এই দুয়েরই রক্ষক হতে হবে। অন্যথায় একটি দেশে শান্তি স্থাপন সম্ভব হবে না। মনে রাখতে হবে প্রজাতন্ত্রের সাধারণ জনগণের করের অর্থে বড় সাহেবদের বেতন হয়।।

আর তা থেকে ব্যয় করে তাঁরা দেশ-বিদেশে বিলাসিতা করে বেড়াচ্ছেন! সব সময় একটি কথা হৃদয়ে যপে যাওয়া উচিত যে, হে প্রিয় বাংলাদেশ যতদিন তোমাতে অতিবাহিত করছি তোমাতে আমাদের ঋণের বোঝা বেড়েই চলেছে। আমরা যেন আমাদের শ্রম নিষ্ঠা সততা ও কাজের বিনিময়ে সেই ঋণ শোধ করতে পারি।

রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভখ্যাত সংবাদপত্র বা এর কর্মীদের প্রতি সকল রকমের জুলুম অত্যাচার নিপিড়ন বন্ধ করা হোক। গঠিত হোক ন্যায়ভিত্তিক সুষম সমাজ। শান্তির সোনার বাংলাদেশ।
লেখক- রিয়াদ রহমান

Tuesday, June 25, 2019

আধুনিক জাতি গড়তে প্রজন্মদের কে পারিবারিক, সামাজিক ও জীবনমুখী শিক্ষার গুরুত্ব দিতে হবে”


পৃথিবী আজ আধুনিক!উন্নত দেশগুলোর আধুনিকতা কারনে আমরা ধীরে ধীরে আধুনিক হচ্ছি, শিক্ষিত হচ্ছি কিন্তু মানুষ হওয়া থেকে দূরে সরে যাচ্ছি, আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে আমি মনে করি এর পেছনে পারিবারিক শিক্ষার অভাবই মূল কারণ সাথে সামাজিকতা!

যা দেখে আমরা শিখতেছি ও শিখছি।এতে আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় সনদধারী হচ্ছি যাহা হওয়া সহজ কিন্তু মানুষ হতে গেলে পারিবারিক শিক্ষার বিকল্প কিছু নেই। আমার মতে ‘পৃথিবীর সব চেয়ে বড় বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে পরিবার, আর সব চেয়ে বড় শিক্ষক হচ্ছে মা’।

সত্যিকার মানুষ সামাজিক জীব।মানুষ জন্মগ্রহন করে সৎ হিসেবে তবে অভাব ও পারিপাশ্বিক অসুস্থ  পরিবেশের কারনে মানুষ ভালো ও খারাপে চিহ্নিত হয়।এছাড়া আগে পরিবারের সবাই এক সাথে বসবাস করতো এই থেকে আমরা অনেক কিছু শিখতে পারতাম, তবে এখন পরিবার ছোট থেকে ছোট হচ্ছে আর আমাদের ছোট ভাই বোনদের কে, পৃথিবীটাও আমরা ছোট করে দিচ্ছি। একটা সীমানার মাঝে ওদের বন্দি করে রাখছি, রুটিন মাফিক একটা যান্ত্রিক জীবন উপহার দিচ্ছি।

আমাদের কে শুধু মাত্র পারিবারিক শিক্ষায় ক্যারিয়ার গড়া যাবে না সাথে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাটাও খুব জরুরী। কিন্তু বর্তমানে যে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা দেয়া হয় তাতে আমাদের শিক্ষার হারই বৃদ্ধি পাচ্ছে কিন্তু শিক্ষিত মানুষের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে না।

ভাই বোনদের কে  ভালো স্কুলে ভর্তি করাতে হবে, শুধু পাশ করতে হবে, ক্লাশে রুল নাম্বার এক হতে হবে,জিপিএ ৫ ফেতে হবে এই চিন্তাই থাকে পরিবারের সবার মাথায়।

যখন ছাত্র এই সব করতে না পারে তখন চাপ বৃদ্ধি করা হয়, কয়েকটা কোচিং এর ব্যবস্থা করা হয় আর স্কুল যাওয়ার আগে কোচিং স্কুল ফেরত আসার পর অন্য কোচিং আর সন্ধ্যার পর আরেক কোচিং বাচ্চার খেলাধুলার সময়টা কোচিং এর মাঝে হারিয়ে যাচ্ছে ইদানিং মোবাইল, কম্পিউটার, ট্যাব, আইপ্যাড এই গুলোর শিক্ষার উপকরণ বলে চালিয়ে দিচ্ছি কিন্তু একবারও কি খোঁজ নিচ্ছি আমাদের ভাই বোনদের এই সব থেকে কি শিক্ষা নিচ্ছে।

আর সাথে ৩ থেক ৫ কেজি ওজনের ব্যাগ কাঁধে ঝুলিয়ে দিচ্ছি, ব্যাগের বোজা বইতে বইতে বাচ্চাটা সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারছেনা। এতো রকমের চাপ অনেক বাচ্চাই বহন করতে পারেনা এবং এই থেকে মানুষিক ভাবে ভেঙ্গে পরছে, পরীক্ষার রেজাল্ট খারাপ করলে কেউ কেউ আত্মহননের পথ বেছে নেয়।

আমার একটি কথা পুরো দেশ তথা সন্দ্বীপের আগামী প্রজন্মকে “প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি পারিবারিক ও সামাজিক শিক্ষাটার গুরুত্ব দিতে হবে”।বাস্তব কথা হলো শিক্ষার্জন তুলনাহীন৷ শিক্ষা মানুষকে এগিয়ে নিয়ে যায়৷যাহা রাজনৈতিক বা সামাজিক যে কোন বিষয়েই একজন শিক্ষিত মানুষ বাকিদের সক্রিয় হতে সাহায্য করে৷

একটি সমাজ রাষ্ট্রে শিক্ষা হচ্ছে রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক অঙ্গনের মূল চালিকা শক্তি৷বিশেষ করে গণতন্ত্র এবং ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রে শিক্ষা কোন ধরণের ভূমিকা পালন করে তা নতুন করে বলার প্রয়োজন নেই৷

সাধারনত একটি রাষ্ট্রে প্রাথমিক শিক্ষা খুব গুরুত্বপূর্ণ। তবে গুণগত মান আছে কিনা সন্দেহ। এইসব প্রতিষ্ঠানে বেশীভাগ শিক্ষক সংখ্যক নারী।তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পাঠদান নিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ। সময়মত স্কুলে উপস্থিত সহ বিভিন্ন অনিয়মের ছড়াছড়ি। অতিহারে অল্প পড়ুয়া কোটা ভিত্তিক নিয়োগ নারী শিক্ষকরা কি আর দিবে?

এমন কি আমাদের দেশে প্রাথমিক শিক্ষা অর্জনের পাঠ্যবিষয়  জীবনমুখী শিক্ষাব্যবস্থা চালু নেই।এবং আমাদের দেশে শিক্ষাজীবনের শুরুতে  কোমলমতি শিক্ষার্থীদের তত্ত্বীয় শিক্ষার পাশাপাশি ব্যবহারিক তথা হাতে-কলমে শিক্ষা পদ্ধতি নেই।

দেশের উন্নয়নের প্রয়োজনে প্রজন্মদের কে আধুনিক করে গড়তে  এমন শিক্ষাব্যবস্থা চালু করতে হবে, যা তাদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে স্বনির্ভর হতে সহায়তা করবে। জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে সেই শিক্ষা যেন কাজে লাগে।

বর্তমানে প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার্থীদের যা শেখানো হচ্ছে তা এক ধরনের গৎবাঁধা তাত্ত্বিক শিক্ষা ছাড়া আর কিছু নয়। আমি কর্মমুখী  শিক্ষা কে প্রাধান্য দিতে গিয়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের উক্তি মনে পড়লো জীবন যেমন হওয়া উচিত, শিক্ষাও তেমন হওয়া উচিত। জীবন ও শিক্ষা একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। তাই জীবনের চাহিদা মেটাতে সক্ষম সে রকম শিক্ষা চাই আমরা।

বর্তমান বিশ্ব কমার্শিয়াল বিশ্বতে রূপান্তরিত। তাই বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে আমাদের দেশে শিক্ষা ব্যবস্থা পরিবর্তন করতে হবে।আমাদের অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য দরকার বৃত্তিমূলক শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলা।

আমি এক কথায় মনে করি অতি উন্নত প্রযুক্তির যুগে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কর্মমুখী ও প্রযুক্তির শিক্ষা দিতে হবে। এক কথায় আমাদে প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা কে বাদ দিতে হবে। এই জন্য যে  জাতীয় অগ্রগতি, টেকসই উন্নয়ন এবং জীবনঘনিষ্ঠ শিক্ষার বৃহত্তর স্বার্থে বর্তমানে প্রচলিত পাঁচ বছর মেয়াদি প্রাথমিক শিক্ষার স্থলে আট বছর মেয়াদি প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা চালু করা প্রয়োজন।।

প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি সুদৃঢ় করার জন্য ন্যূনতম আট বছর মেয়াদি শিক্ষা পদ্ধতি চালু করা অত্যাবশ্যক। পৃথিবীর উন্নত দেশসমূহে আট হতে বারো বছরের বাধ্যতামূলক শিক্ষার মেয়াদ চালু রয়েছে। অষ্টম শ্রেণি শিক্ষা শেষে পাবলিক পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করা প্রয়োজন।

মানবসম্পদ উন্নয়নে প্রাথমিক শিক্ষাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা যায়।তাদের কে জীবনধর্মী ও কর্মমুখী শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি করা সম্ভব। প্রাথমিক শিক্ষার লক্ষ্য হলো শিশুর দৈহিক, মানসিক, সামাজিক, আধ্যাত্মিক, নৈতিক, মানবিক ও নান্দনিক বিকাশ সাধন এবং তাদেে কে উন্নত জীবনের স্বপ্ন দর্শনে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।পারিবারিক, সামাজিক ও জীবনমুখী  শিক্ষার গুরুত্ব দিতে হবে।

লেখক
রিয়াদ রহমান এম এস এস রাষ্ট্রবিজ্ঞান।
সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ সাহিত্যচর্চা ও বিকাশ কেন্দ্র।

Wednesday, June 12, 2019

সন্দ্বীপে রমরমা মিথ্যা মামলা দিয়ে পকেট ব্যবসা বৃব্দির কারনে এতে সাধারন জনগণ হতাশ।


সন্দ্বীপে প্রতিটি পাড়া, মহল্লা কুচক্র মহলদের তকদীরে মাধ্যমে অসাধু মুখোশধারীরা পুলিশ প্রশাসনের সাথে আতাতাত করে ভিত্তিহীন রমরমা মামলা দিচ্ছে। তারা  সাধারন ও সন্মানজনক পরিবার চিহ্নিত করে সন্দ্বীপ কে ভয়ংকররুপে করে তুলছে।।

হোতাদের মৃল কৌশল সন্মানীত লোকদের কে হয়রানি করা আর অসৎ লোকদের কে উৎসাহিত করা।যেন সন্মানীত লোকেরা অসৎদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে না পারে ও সমাজে ন্যায়ের পক্ষে সচেতনদের মুখ বন্ধ করে দেওয়া।।

এক কথায় ব্যাপকহারে  প্রশাসনের সাথে কৌশল ব্যবসা করে যাচ্ছে সমাজের কীটরা ।এসব বৃব্দির কারনে, সন্দ্বীপে সামাজিক মৃল্যবোধ,মানবতা চরম বিপর্যয়ের পথে এগুচ্ছে।।

বিশেষ করে সামাজিক, রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও সরকারী উদ্ধতন চাকরী কে অপব্যবহার করে তকদীরে মাধ্যমে রমরমা মামলা ব্যবসা চালিয়ে দ্বীপের অসহায় সাধারন ভদ্র মানুষদের কে বিপদমুখী করে তুলছে।

এসব হয়রানি মামলা হামলা কারনে হারাচ্ছে ইজ্জত সন্মান অর্থ। নিংশ্ব হয়ে যাচ্ছে দ্বীপের জনগণ।যার ফলে ক্ষোভ বৃব্দি পাচ্ছে।সমাজ রাষ্ট্রে পরিবারে সন্মান ইজ্জতের ঘাটতি সৃষ্টি হচ্ছে।সন্দ্বীপে কীটদের মৃল টার্গেট কার পকেট কেটে নিজেদের পকেটে নিবে।এসব তাদের মৃল টার্গেট।।

এসবের ফলে যাহা জনগণের মধ্যে  বিষ্পোরন সৃষ্টি হওয়ার সম্ভবনা দুয়ার উন্মোচন হওয়ার পথে।।

আমি একজন সন্দ্বীপের ক্ষুদ্র নাগরিক হিসেবে আমার দাবী দ্রুত মাননীয় এমপি মহোদয় সাহেব আমার কথাগুলো গোপনে ও নিরবে এলাকায় এলাকায় তথ্য নিয়ে সন্দ্বীপীদের কে বিপদমুক্ত রাখবেন।।সে সাথে সকল নীতি নির্ধারকরা সজাগ থেকে সমাজ কে কলোহল মুক্ত সন্দ্বীপ গড়া হিসেবে কাজ করবে বলে আশাবাদী।বিশেষ করে সন্দ্বীপে ছোট খাটো যে কোন ঘটনা কে কেন্দ্র করে থানা মামলা দায়ের করার আগে আপনাদের নজরে রেখে  মিমাংসা করার জন্য উদাত্ত আহবান রহিল।।

Saturday, June 8, 2019

আমরা সকলে নেতা হতে চাই কিন্তু সেবক হতে চাই না!

আমরা সকলে নেতা হতে চাই কিন্তু সেবক হতে চাই না! আসলে আমরা ভালো নেতা হওয়ার পথ দেখি না ,তাই আমি মনে করি লিও ক্লাবের মাধ্যমে আপনার স্বপ্ন পূরণ করতে পারবেন।।

যাইহোক নেতা হওয়ার  অনেকের কাছে বড় স্বপ্ন থাকে , অনেকেই হয় ,আবার অনেকেই হতে পারে না । কিন্তু ইচ্ছা করলেই নেতা হওয়া যায় না।

এজন্য তাকে মহৎ কাজ করতে হয়। ব্যক্তি জীবনে অথবা সামাজিক জিবনে আমি মনে করি ,আমরা যদি নিজেকে নেতার আসনে দেখতে চাই - তাহলে আমাদের অনেক সৎ চরিত্রের  অধিকারী হতে হবে।

বর্তমান রাজনৈতিক পেক্ষাপট বা সোনার বাংলার সাথে না মিলতে পারে আমার মনের কথা গুলো ,তবু আমি বলবো এ গুণগুলো আয়ত্ব করতে পারলেই আমরা সফল নেতা না হতে পারলেও সফল বাঙ্গালী হতো পারবো ।

আমার মতামত হইতো সঠিক না হতে পারে।তবুও মতামত প্রকাশ করলাম।

১ আমাদের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও  সু সিদ্ধান্ত গ্রহণের  একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য থাকতে হবে  এবং নিজস্ব সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা থাকতে হবে। আমরা যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণে অন্যের উপর নির্ভর করি তাহলে আমরা  নেতা হিসেবে সফলতা হতে পারবো  না এবং স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে না ।

২. আমরা ভাল কাজের জন্য উৎসাহ দিবো এবং দিতে  হবে, এবং  তাদের বিভিন্ন অর্জনে আমরা  উৎসাহ দেয়ার মানসিকতা গড়তে হবে।

৩. আমরা সব সময় কর্মচঞ্চল থেকে নিজ নিজে সব কাজের তদারক করতে হবে ও শিখতে হবে ।যে কোনো  প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনের জন্য সময়ের কাজ যথা সময়ে শেষ করার মন মানসিকতা গড়তে  হবে।

৪. আমরা আমাদের  নিজ  অধিনস্ত বা সহকর্মীদের সাথে যেকোনো বিষয়ে সরাসরি যোগাযোগ রাখার অভ্যাস গড়তে হবে । কখনও অন্যের মাধ্যমে আলাপ আলোচনা করার থেকে বিরত থাকা জরুরী । সরাসরি যোগাযোগের মধ্যে কর্মীর সাথে আমাদের  একটি ব্যক্তিগত যোগাযোগ গড়ে উঠবে যা আমাদের  নেতৃত্বের অবস্থান আরও দৃঢ় হবে।

৫. আমরা  সব সময় নিজ নিজের  নীতিতে অটল থাকার বিস্বাসী হতে হবে । কখনও কোনো ছল চাতুরির আশ্রয় গ্রহণ করার চেষ্ঠা করবো  না। নিজে  যদি নিজের  অবস্থানে সততার সাথে দৃঢ় থাকি তাহলে অন্যরা আমাদেরকে  নেতা হিসেবে সহজেই গ্রহণ করবে।

৬.নিজ অধিনস্থদের মধ্য থেকে মেধাবীদের সুযোগ দিন। একজন সফল নেতা পদ আঁকড়ে না ধরে থেকে সব সময় অধীনস্থ যোগ্যতা সম্পন্নদের প্রতিষ্ঠান বা দলের উচ্চতার অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করা জরুরী ।

৭.একজন নেতা সব সময় সঠিক চিন্তা করেন এবং সেই চিন্তাকে তার অনুসারিদের মাঝে ছাড়িয়ে দেন। নেতিবাচক চিন্তা করে কেউ কখনও সফলতা পায় না। তাই সঠিক চিন্তা করা ও অন্যের ভাল চিন্তা করা একজন নেতার বড় গুণ।

৮.একজন নেতা যদি নিজ কথা ও কাজে মিল না রাখেন তবে অচিরেই তিনি অসফল নেতা হিসেবে স্থান চ্যুত হবেন। যেসব নেতা তাদের কথা ও কাজে মিল রাখতে পারেন না তাদের এক সময় কেউ পছন্দ করে না। তাই সব সময় নিজের অবস্থানে সৎ থাকা উচিত এবং অনুসারিদের ভালোর জন্য সৎ চিন্তা করা একজন ভাল নেতার গুণ। আর ভাল নেতা হতে হলে অবশ্যই আমাদেরকে  এ গুণের অধিকারী হতে হবে।

৯.এক জন সফল নেতা হতে হলে আমদের  একটি নির্দিষ্ট ভিশন থাকতে হবে এবং ওই ভিশনের আলোকে আমরা  অন্যদের মোটিভেট করে নির্দিষ্ট ভিশনে পৌঁছাতে পারবো । বাস্তবে আমরা এমন অনেক উদাহরণ দেখি যেখানে নেতার কারণে একটি বড় কাজ সফল করা গেছে।

১০. প্রত্যেক নেতার নিপুণতার গুণ থাকা আবশ্যক। সঠিক ও সুন্দর উপায়ে যেন সকল কাজ সম্পন্ন হয় সে বিষয়ে নেতাকে পারদর্শী হতে হবে। সব সময় জ্ঞান আহরণের মাধ্যমে এই গুণ শাণিত করতে হবে।

১১.আমরা আমাদের দৈনন্দিন জিবনে যেকোনো সমস্যা সমাধানে নেতাকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। বাস্তবতার উপর পর্যালোচনা করে যেকোনো সমস্যার সমাধান করতে হবে। এক্ষেত্রে সব সময় পক্ষপাত পরিহার করা বাঞ্চনীয়। সমস্যা সমাধানে যদি সময়ের প্রয়োজন হয় তবে সময় নিয়ে হলেও নিরপেক্ষভাবে সকল সমস্যা সমাধান করতে হবে।

১২.এই পৃথিীতে কোনো মানুষ দায়িত্ব এড়িয়ে কখনও  হতে পারে নি ও নেতা হওয়া যায় না । দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে অর্পিত দায়িত্ব সফলভাবে পালন করাই একজন নেতার সার্থকতা।
আমরা অন্যের উপর দোষ না চাপিয়ে বরং সকল দায়িত্ব নিজে নিয়ে সুচারুভাবে সম্পন্ন করলে আমরা  সহজেই একজন দক্ষ নেতা হিসেবে নিজের অবস্থানকে দৃঢ় করতে পারবো।।

উপরোক্ত গুণগুলোর অধিকারী হলে যেকেউ নিজেকে সমাজে ও নিজের কর্মক্ষেত্রে একজন সফল নেতা হিসেবে গড়ে তুলতে পারবো সহজেই।নেতা হওয়ার এক মাত্র উপায়  সকল লিও ক্লাবের মাধ্যমে।আমরা বাঙ্গালী ভাই ভাই দেশ গঠনে ঐক্য হয়।

আমরা আমাদের বর্তমান গুন্ডামি রাজনৈতিক চাড়ার অভ্যাস গড়ি তুলি। আমাদের বর্তমান গুন্ডা রাজনৈতিকের কারনে আমরা  অনেক কচি  ভাই দের প্রাণ হারাচ্ছি আর না গডফাদার রাজনৈতিক এ সোনার দেশে সকল যুবকেরা এসব গডফাদারকে বিচ্ছন্ন করি কারন ঐ সব প্রাণ হারানো ভাইরা হতে পারতো এই দেশের একটি চন্দ্র । রাজনৈতিক হওয়ার আগে মুক্ত মতা মতের বিশ্বাসী হওয়াটা উত্তম।।

লেখক- এস.এম.তৌহিদুর রহমান রিয়াদ।এম এস এস রাষ্ট্রবিজ্ঞান।

Friday, June 7, 2019

ঢাকা ছাত্র -ছাত্রীদের তুলনায় চট্টগ্রামের ছাত্রছাত্রীরা আর কত পিছিয়ে থাকবে!

ঢাকা ছাত্র -ছাত্রীদের তুলনায় চট্টগ্রামের ছাত্রছাত্রীরা পিছিয়ে

অসংখ্য বার  ঢাকা সিটিতে যাতায়াত করে একটি  অভিজ্ঞতা হলো যে,ঢাকা শহরে সকল পাবলিক পরিবহন গুলোতে ছাত্র ছাত্রীদের জন্য অর্ধেক ভাড়া প্রযোজ্য।


বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা একটি জ্যামের শহর। এই শহরে বাস চালক ও বাস মালিকদের একমাত্র  আয়ের অবলম্বন বাস চালানো বা বাস ভাড়া দেওযা।বাস মালিক পক্ষরা চাদা দেওয়া থেকে কত না হয়রানির শিকার হয় প্রতিনিয়ত। এমন কি পুলিশ প্রশাসনের অনিয়মের কাছে হার মানে ড্রাইভার ও মালিক পক্ষ।

তবু তারা ঢাকা সিটি কর্পোরেশন সহ  গাজীপুর, সাভার ছাত্র ছাত্রীদের শিক্ষা গ্রহনের সুযোগ বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দিয়ে ভাড়া অর্ধেক নিয়ে মহৎ ব্যবস্থা গ্রহন করেছেন।

সে তুলনায় চট্টগ্রাম শহড়ে জ্যাম নেই বললেই চলে। অথচ এই শহরে  ছাত্র ছাত্রীদের জন্য অর্ধেক ভাড়া নেওয়া তো দূরের কথা বরং স্বল্প দুরত্বের জন্য তুলণামূলক ভাবে বেশী ভাড়া আদায় করা হয়।কিন্তু চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এই বিষয়ে এখনো কোন উদ্যোগ গ্রহন করেন নি।

দেশের প্রধান দুই শহরে শিক্ষার্থীদের জন্য এই রকম পাবলিক ভাড়া বৈষম্য সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পথে অন্তরায়।।

বন্দর নগরী চট্টগ্রাম দেশের প্রধান বাণিজ্যিক রাজধানী এবং বাংলাদেশের ২য় বৃহত্তম শহর।যে শহরের বর্তমান নগর পিতা একজন চৌকশ ব্যক্তিত্বের খ্যাতি রয়েছে।

এই শহরে নাসিরাবাদ মহিলা কলেজ,ইসলামিয়া ডিগ্রী কলেজ,এম এইচ কলেজ, এনায়েত বাজার মহিলা কলেজ,চট্টগ্রাম কমার্স কলেজ,সিটি কলেজ,চিটাগং কলেজ,মহসিন কলেজ,চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়,চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ, চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট,বিজয় স্বরনী ডিগ্রি কলেজ,নিজামপুর কলেজ,সিতাকুন্ড কলেজ,ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়  সহ অসংখ্য  নামীদামী কলেজে অনেক গরীব মেহনতি পরিবারের সন্তানরা পড়াশুনা করে, তাদের প্রতিদিন অনেক টাকা গাড়ী ভাড়া বাবদ ব্যয় হচ্ছে। যা তাদের পরিবারের জন্য  কষ্টসাধ্য।

ঢাকা শহরের মত চট্টগ্রাম শহরে সকল শিক্ষার্থীদের জন্য পাবলিক পরিবহনে ভাড়া কমিয়ে আনার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে জোড় দাবী জানাচ্ছি।

বিশেষ করে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।এই আবেদন চট্টগ্রামের জ্ঞান পিপাসু লক্ষাধিক ছাত্র ছাত্রীদের প্রাণের দাবী।

রিয়াদ রহমান
ছাত্র,সিটি কলেজ।

ঢাকা ছাত্র -ছাত্রীদের তুলনায় চট্টগ্রামের ছাত্রছাত্রীরা আর কত পিছিয়ে থাকবে!

অসংখ্য বার  ঢাকা সিটিতে যাতায়াত করে একটি  অভিজ্ঞতা হলো যে,ঢাকা শহরে সকল পাবলিক পরিবহন গুলোতে ছাত্র ছাত্রীদের জন্য অর্ধেক ভাড়া প্রযোজ্য।

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা একটি জ্যামের শহর। এই শহরে বাস চালক ও বাস মালিকদের একমাত্র  আয়ের অবলম্বন বাস চালানো বা বাস ভাড়া দেওযা।বাস মালিক পক্ষরা চাদা দেওয়া থেকে কত না হয়রানির শিকার হয় প্রতিনিয়ত। এমন কি পুলিশ প্রশাসনের অনিয়মের কাছে হার মানে ড্রাইভার ও মালিক পক্ষ।

তবু তারা ঢাকা সিটি কর্পোরেশন সহ  গাজীপুর, সাভার ছাত্র ছাত্রীদের শিক্ষা গ্রহনের সুযোগ বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দিয়ে ভাড়া অর্ধেক নিয়ে মহৎ ব্যবস্থা গ্রহন করেছেন।

সে তুলনায় চট্টগ্রাম শহড়ে জ্যাম নেই বললেই চলে। অথচ এই শহরে  ছাত্র ছাত্রীদের জন্য অর্ধেক ভাড়া নেওয়া তো দূরের কথা বরং স্বল্প দুরত্বের জন্য তুলণামূলক ভাবে বেশী ভাড়া আদায় করা হয়।কিন্তু চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এই বিষয়ে এখনো কোন উদ্যোগ গ্রহন করেন নি।

দেশের প্রধান দুই শহরে শিক্ষার্থীদের জন্য এই রকম পাবলিক ভাড়া বৈষম্য সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পথে অন্তরায়।।

বন্দর নগরী চট্টগ্রাম দেশের প্রধান বাণিজ্যিক রাজধানী এবং বাংলাদেশের ২য় বৃহত্তম শহর।যে শহরের বর্তমান নগর পিতা একজন চৌকশ ব্যক্তিত্বের খ্যাতি রয়েছে।

এই শহরে নাসিরাবাদ মহিলা কলেজ,ইসলামিয়া ডিগ্রী কলেজ,এম এইচ কলেজ, এনায়েত বাজার মহিলা কলেজ,চট্টগ্রাম কমার্স কলেজ,সিটি কলেজ,চিটাগং কলেজ,মহসিন কলেজ,চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়,চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ, চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট,বিজয় স্বরনী ডিগ্রি কলেজ,নিজামপুর কলেজ,সিতাকুন্ড কলেজ,ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়  সহ অসংখ্য  নামীদামী কলেজে অনেক গরীব মেহনতি পরিবারের সন্তানরা পড়াশুনা করে, তাদের প্রতিদিন অনেক টাকা গাড়ী ভাড়া বাবদ ব্যয় হচ্ছে। যা তাদের পরিবারের জন্য  কষ্টসাধ্য।

ঢাকা শহরের মত চট্টগ্রাম শহরে সকল শিক্ষার্থীদের জন্য পাবলিক পরিবহনে ভাড়া কমিয়ে আনার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে জোড় দাবী জানাচ্ছি।

বিশেষ করে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।এই আবেদন চট্টগ্রামের জ্ঞান পিপাসু লক্ষাধিক ছাত্র ছাত্রীদের প্রাণের দাবী।

রিয়াদ রহমান
ছাত্র,সিটি কলেজ।