জনগণের করের অর্থে বড় সাহেবদের বেতন হয় তাই জনগণের সাথে সুন্দর আচরন করতে শিখুন।
আমাদের সংবিধান মতে প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তারা জনগণের সেবা দেবার শপথ নিয়ে চাকরিতে নিযুক্ত হন।তবে তা কি করে?
যদিও আমাদের দেশে চাকরি পেতে ঘুষ দিয়ে হউক বা যোগ্যতার সুবাদে হউক।তবে বেশীভাগ সরকারী চাকরিজীবীরা অনিয়মের ভিতরে জড়িয়ে পড়ে।
বেশীভাগ সরকারী চাকরী করেন যারা তারা বসেন নামি-দামি গদির চেয়ারে।এমন কি নামী দামী চেয়ারে বসে ক্ষমতা অপব্যবহার থেকে শুরু করে যত অনিয়ম আছে প্রায় সরকারী চাকরিজীবিরা করে থাকে।
যেমন এই সমাজ রাষ্ট্রে আমরা সমাজবব্দ। এতে ছোট খাটো সমস্যা হবে হয় প্রতিবেশীদের সাথে রাষ্ট্রের যে কোন জনগণের সাথে।তবে এসব কে কেন্দ্র করে অনেকে পৃর্ব জের ধরে প্রশাসনের মাধ্যমে দমনের চেষ্ঠা করে।এমন কি নিজের স্বার্থের জন্য ক্ষমতা অপব্যবহার করে থাকে,এতে হুমকিতে থাকতে হয় চেয়ারে বসার লোকদের কাছে জনগন।এসব মনমানসিকতা পরিবর্তন আনা প্রয়োজন বাবুরা।।
আর যেখানে এই দেশের কর্মের দাতা সাধারণ জনগণ।তাদের সকল চাহিদা পৃরন করে থাকে।আর সেখানে জনগন বসেন সদ্য মাটিতে। অথবা তাদের কারো জায়গায় হয় না। এই দেশে এমন বৈষম্য আর কতদিন চলবে?
আমার মত রাষ্ট্রীয় এই সকল নীতিগুলো নিঃসন্দেহে লজ্জার এবং তা পরিবর্তিত হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।
এই দেশে একজন বঙ্গবন্ধু,নজরুল, হুমায়ন আহমেদ, তাঁরা ওই নামি-দামি- গদিতে না বসে আপন শক্তিতে পৃথিবীর বুকে সৃজনশীলতার যে পরিচয় দিয়েছিলেন। বাংলাদেশকে পৃথিবীর বুকে যে উচ্চতায় তুলে ধরেছেন।আর একজন গাড়ি বাড়িতে আধুনিক জীবন যাপন করা বাবুরা তাঁদের জীবদ্দশায় দেশের জন্য কী এমন বড় অর্জন দেখাতে পারবেন?
আমার মনে হয় তা তাদের দেখানো খুব কঠিন! আমাদের দেশের একজন সাধারণ মানুষ ভালো ব্যবহার পেলে অন্য মানুষের জন্য প্রাণ দিতে পারে! যা পৃথিবীর অন্য দেশে বিরল।।যেমন স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রমান করেছে।
ঠিক আমাদের দেশে পুলিশ বাহিনী থেকে শুরু করে সকল সেক্টরের সাহেবরা কাজের মাধ্যমে সেই অবস্থায় পৌঁছতে হবে। মানুষকে ভালোবেসে বুকে আগলে নিতে হবে। আর পুলিশ মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়ে মাল রক্ষা করবার দরকার নেই। সেই আধিকারও তাদের দেয়া হয় নি।
তাদেরকে জনগণের জান ও মাল এই দুয়েরই রক্ষক হতে হবে। অন্যথায় একটি দেশে শান্তি স্থাপন সম্ভব হবে না। মনে রাখতে হবে প্রজাতন্ত্রের সাধারণ জনগণের করের অর্থে বড় সাহেবদের বেতন হয়।।
আর তা থেকে ব্যয় করে তাঁরা দেশ-বিদেশে বিলাসিতা করে বেড়াচ্ছেন! সব সময় একটি কথা হৃদয়ে যপে যাওয়া উচিত যে, হে প্রিয় বাংলাদেশ যতদিন তোমাতে অতিবাহিত করছি তোমাতে আমাদের ঋণের বোঝা বেড়েই চলেছে। আমরা যেন আমাদের শ্রম নিষ্ঠা সততা ও কাজের বিনিময়ে সেই ঋণ শোধ করতে পারি।
রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভখ্যাত সংবাদপত্র বা এর কর্মীদের প্রতি সকল রকমের জুলুম অত্যাচার নিপিড়ন বন্ধ করা হোক। গঠিত হোক ন্যায়ভিত্তিক সুষম সমাজ। শান্তির সোনার বাংলাদেশ।
লেখক- রিয়াদ রহমান
No comments:
Post a Comment