মানুষ সামাজিক জীব।ভালো পরিবেশ মানুষ সৃষ্টি করে।তাই ভালো মানুষ সৃষ্টি করে মানুষ।এবং খারাপ পরিবেশ সৃষ্টির জন্য মানুষ দায়ী।তাই সমাজ রাষ্ট্রে সকল কার্যক্রমে সকল কে উৎসাহ প্রেষনা দিয়ে ভালো পরিবেশ সৃষ্টি করে ভালো কাজের পরিবেশ সৃষ্টি যারা করতে পারে তারা সমাজ রাষ্ট্রে সন্মানীত হয়।।
সমাজ গড়া থেকে কর্ম প্রতিষ্ঠানে ভালো কাজের পরিবেশ গড়তে পারলে সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি করা আগে জরুরী।বিশেষ করে যেভাবে সমাজের মানুষের জন্য ভালো পরিবেশ তৈরী করতে হবে সে জন্য প্রয়োজন উপযুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরী করা।সে সাথে ভালো মানের কাজের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলা।কর্ম প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের কে চাকরীচ্যুত হবে এমন ভয়ভীতি না দেখিয়ে উৎসাহ দিয়ে কাজ আদায়ের ব্যবস্থাপনা খুবই জরুরী।
সাধারনত রাষ্ট্র পরিচালনা থেকে শুরু করে কর্ম প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের জন্য কাজের পরিবেশ ভালো না হলে, কখনো প্রতিষ্ঠানের উন্নতি হবে না। আর এ জন্য প্রথমে চাই উচ্চ দক্ষতা সম্পন্ন একটি দল। যারা এমন একটি পরিবেশে কাজ করবেন, যেখানে প্রতিনিয়ত লালিত হবে ‘বিশ্বাস’।তাই যেখানে দক্ষ ও কর্মীবান্ধব ম্যানেজমেন্ট থাকবে না কর্মীদের সুখে দুখের কথা চিন্তা করবে না সেখানে কখনো কোন প্রতিষ্ঠানে উন্নতি করা সম্ভব নয়।
একাউন্টস একটি প্রতিষ্ঠানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এমন ডিপার্টমেন্ট দক্ষ ট্রীম নেতারা কর্মীদের কে প্রশিক্ষনের মাধ্যমে জবাবদিহি করে প্রতিষ্ঠান চালানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
মনে করুন আমাদের দেশে উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠান পোশাক শিল্প। এই সব শিল্পে অযোগ্যরা থাকে বেশীভাগ চেয়ারে ও যোগ্যরা থাকে চেয়ারে তবে যে সকল যোগ্যরা চেয়ারে থাকে সেখানে ভালো পরিবেশে পরিচালনা হয়।কর্মীরা চাকরীচ্যুত হওয়ার ভয় থাকে না।।
আবার এই সেক্টরে ৮৫% কর্মীরা অশিক্ষিত লোকেরা কাজ করে সেটা শুধু এই সেক্টরে নয় বিভিন্ন উৎপাদনমুখী সেক্টর সহ কনস্টাকসন, ইন্ডাস্ট্রি সেক্টরে ঠিক একই। এইসব সেক্টর কাজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।তাদের কে প্রেষনা দিয়ে গড়ে তুলে ভালো প্রতিষ্ঠান।
তবে এসব সেক্টরে কর্মীরা তাদের রক্ত বিক্রী করে কাজ করে তবু তারা যেন অমূল্যয়িত হয়ে থাকে।আমরা তাদের কে কখনো মূল্য দিতে শিখি নি। আমরা যদি তাদের কে প্রেষনা দিয়ে কাজ করিয়ে নিতে পারি উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব।সেটা আমরা ভাবি না।
আমরা যদি ভাবতাম তারা সুস্থ ও ভালো থেকে কাজ করুক তাহলে আমাদের উৎপাদন বাড়বে। এটা আমরা কখনো চিন্তা করি নি।কখনো যদি এসব শ্রমিকরা অসুস্থতা কারনে বা কোন সমস্যা কারনে একদিন অনুপস্থিত থাকে চাকরীচ্যুত পর্যন্ত হতে হয়।এমন কি নির্যাতিত আচরনে শিকার হতে হয়।তাদের কাজের কোন সময় নির্ধারন না থাকায় তারা ও প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয় সেটা ব্যবস্থাপকরা একটিবার চিন্তা করে না।
আমি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শনে এবং খোজ নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা থেকে যা বুজতে পেরেছি তা নিচে শেয়ার করলাম।
যোগাযোগে উদারতা মাধ্যমে নিচু পদের কর্মীদের সঙ্গে খোলামেলা যোগাযোগ রেখে কাজের গতি বাড়ানো সম্ভব।কর্মঘন্টা ঠিক রেখে ও কাজের পরিধি বাড়ানো সম্ভব।এলোমেলো কর্মঘন্টা দিয়ে কাজ করালে কর্মীরা অসুস্থ সহ মানষিক দৃর্বল হয়ে পড়ে যাহা প্রতিষ্ঠানে জন্য বিপদ ডেকে আনে।এছাড়া এলোমেলো ব্যবস্থা মাধ্যমে কাজ করালে কর্মীদের দমবন্ধ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। তারা কাজ করতে অস্বস্তি বোধ করবে।
কর্মীদের কে কাজের প্রতি আগ্রহী করতে প্রতিষ্ঠানে কী বড় পরিবর্তন আসছে, কোথায় কী ঘটছে তা প্রতিদিন কর্মীদের জানানো উচিত। এতে তারা প্রতিষ্ঠানের প্রতি বিশ্বাস রাখতে পারেন। তারা নিজেদেরকে ‘ভেতরের লোক’ বলেই অনুভব করতে পারবেন।
আমাদের দেশে অনেক প্রতিষ্ঠান কর্মীদের ঠিকমতো ছুটি দিতে কার্পণ্য করে। পর্যাপ্ত লোকবল নেই, এই দোহাই দিয়ে অনেক সময় প্রাপ্য ছুটি দেওয়া হয় না। এটি প্রতিষ্ঠানের জন্য ভালো ফল বয়ে আনে না।এর জন্য প্রয়োজন সকল অফিস কর্মকর্তা কর্মচারীর সহকারী রাখা।এতে কাজের পরিধি বাড়ে।কর্মীরা খুশি থাকে।এবং কর্মীদের বেতন বৃব্দি সহ প্রমোশনের ব্যবস্থা করা।সাধারনত কর্মীদের কে প্রতিষ্ঠানে উন্নতির জন্য বিভিন্ন বিনোদন ব্যবস্থা সহ বিশ্বাস করতে বিভিন্ন ধরনে আয়োজন অফিসের ভিতরে বাইরেও করতে হবে।
সমাজ রাষ্ট্রে সকল মানুষ কে নতুন কিছু করতে উৎসাহ সৃষ্টি করতে হবে।বিশেষ করে অনেক কর্মী আছেন, যারা প্রতিষ্ঠানের নতুন নতুন ধারণা দিতে পছন্দ করেন। কিন্তু ‘ভুল’ হওয়ার ভয়ে সেসব পরিকল্পনা শেয়ার করতে চান না।এসব প্রতিবন্ধকতা থেকে দৃরে সড়ে আসতে হবে।
এক কথায় যখন সমাজ রাষ্ট্রৈ প্রতিষ্ঠানে কর্মীরা আপনাদের দলে নিজেকে নিরাপদ মনে করবেন, তখন তারা যে কোনো পরিকল্পনার কথা জানাতে সাহস পাবেন। আর এভাবে এগিয়ে যাবে প্রতিষ্ঠান।
No comments:
Post a Comment